কসবা উপজেলা
কসবা থানা পুলিশ কর্তৃক ১১৪ (একশত চৌদ্দ) কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার:
আজ ১৪/১১/২০২৫খ্রিঃ তারিখ ভোর ০৫:০০ ঘটিকায় কসবা থানা পুলিশের একটি টিম থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অত্র থানাধীন বায়েক ইউনিয়নের কান্দারপাড় এলাকা হতে ১১৪ (একশত চৌদ্দ) কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামীদ্বয় কৌশলে পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত গাঁজা উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।
পলাতক আসামীদ্বয়ের নাম ও ঠিকানা:
১। ইলেন মিয়া(২৫)
পিতা-মৃত হেবজু মিয়া
সাং-বায়েক দক্ষিন পাড়া
২।কামরুল(২৭)
পিতা-মোঃ জামাল মিয়া
সাং-কোল্লাপাথর
উভয় থানা-কসবা
জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
এ সংক্রান্তে পলাতক আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কসবা থানায় একটি মাদক মামলা রুজু হয়েছে।

কসবা থানার মেহারী ইউনিয়েনের চাওলা বাড়িতে পারিবারিক কোলাহ নিয়ে মারামারি করে একজন ৫৫ বছর বয়সী বৃদ্ধকে মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়৷ ঘটনাটি ঘটে আজ দুপুর ১২:১০ মিনিটের দিকে। পরবর্তীতে বৃদ্ধের স্বজনরা তাকে হাসপাতলে নিয়ে যায়। আহত ব্যাক্তির নাম বিল্লাল মিয়া(৫৫) অবস্থা গুরুত্বর স্ত্রী নাজমাসহ আহত ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের।
কসবা উপজেলা
আমাদের প্রতিবেদকের সাথে কথা বলছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার মাইজখার-বাগুর গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা। সম্প্রতি কসবা থানার অন্তগত, কুটি ইউনিয়নের মাইজখার-
বাগুর গ্রামের সাহা, ও নমশুদ পাড়াতে চুরের জ্বালায় অতিষ্ট হয়ে অনেক পরিবার বাপ দাদার ভূমি ছেড়ে অন্যত্র বাসা ভাড়া করে থাকছে বলে জানা যায়। চুরি প্রতিরোদ করতে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অভহিত করলে ওনারা পাহাড়া দিতে বললে, তাই বাদ্য হয়ে গ্রামের শিব নামক এক ব্যাক্তির সহায়তায় পাহাড়া দিচ্ছে এই পাড়ার যুবকবৃন্দ এমনটাই বলেছেন গ্রামবাসী।
এই গ্রামসহ আশেপাশের একাধিক গ্রামে চোরের উপদ্রব বেড়েছে। রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়ি থেকে শুরু করে টিউবওয়েল পর্যন্ত চুরি হয়ে যাচ্ছে। চোরের এই অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
“প্রতিদিন রাতে চোরেরা বাড়িতে ঢুকে জিনিসপত্র নিয়ে যায়। গত সপ্তাহে বাড়ির টিউবওয়েল এবং জানালার গ্রিল চুরি হয়ে গেছে,” এমনটাই জানান গ্রামের এক বাসিন্দা। তিনি আরও বলেন, “চোরদের অত্যাচারে গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ। আমরা শান্তি মতো ঘুমাতেও পারি না।”
এই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে, চোরদের এই উপদ্রবের মুখে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কসবা ত্রিনেত্র এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় চোরদের উপদ্রব বাড়ছে, কিন্তু প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। এতে করে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা আরও বেড়েছে।
আজ এই পর্যন্তই, সংঙ্গে থাকার জন্য অন্যবাদ।
কসবা উপজেলা