আমাদের প্রতিবেদকের সাথে কথা বলছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার মাইজখার-বাগুর গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা। সম্প্রতি কসবা থানার অন্তগত, কুটি ইউনিয়নের মাইজখার-
বাগুর গ্রামের সাহা, ও নমশুদ পাড়াতে চুরের জ্বালায় অতিষ্ট হয়ে অনেক পরিবার বাপ দাদার ভূমি ছেড়ে অন্যত্র বাসা ভাড়া করে থাকছে বলে জানা যায়। চুরি প্রতিরোদ করতে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অভহিত করলে ওনারা পাহাড়া দিতে বললে, তাই বাদ্য হয়ে গ্রামের শিব নামক এক ব্যাক্তির সহায়তায় পাহাড়া দিচ্ছে এই পাড়ার যুবকবৃন্দ এমনটাই বলেছেন গ্রামবাসী।
এই গ্রামসহ আশেপাশের একাধিক গ্রামে চোরের উপদ্রব বেড়েছে। রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়ি থেকে শুরু করে টিউবওয়েল পর্যন্ত চুরি হয়ে যাচ্ছে। চোরের এই অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
“প্রতিদিন রাতে চোরেরা বাড়িতে ঢুকে জিনিসপত্র নিয়ে যায়। গত সপ্তাহে বাড়ির টিউবওয়েল এবং জানালার গ্রিল চুরি হয়ে গেছে,” এমনটাই জানান গ্রামের এক বাসিন্দা। তিনি আরও বলেন, “চোরদের অত্যাচারে গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ। আমরা শান্তি মতো ঘুমাতেও পারি না।”
এই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে, চোরদের এই উপদ্রবের মুখে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কসবা ত্রিনেত্র এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় চোরদের উপদ্রব বাড়ছে, কিন্তু প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। এতে করে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা আরও বেড়েছে।
আজ এই পর্যন্তই, সংঙ্গে থাকার জন্য অন্যবাদ।
